রোকনুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, ওই বছরের শেষ দিকে ইন্টারনেট থেকে পেরিলার গুণাগুণ ও চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে পারেন। এরপর সাক্ষাৎ করেন পেরিলা গবেষক আব্দুল কাইয়ুম মজুমদারের সঙ্গে। তাঁর পরামর্শেই পরের বছর তেঁতুলিয়ায় পেরিলার চাষ শুরু করেন। অভিজ্ঞতার অভাব ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে সেবার আশানুরূপ ফলন পাননি। তবে এবার ভালো ফসল পাবেন বলে আশা করছেন।
এ বিষয়ে দিনাজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. নুরুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, দিনাজপুরের মাটি পেরিলা চাষের জন্য উপযোগী। পেরিলা অন্যান্য ফসলের সঙ্গে সাথি ফসল হিসেবেও চাষ করা যায়। চাষের খরচ কম, রোগবালাইও কম হয়। জেলায় প্রথমবারের মতো একজন এ ফসল চাষ করেছেন। তাঁর বিষয়ে কৃষি বিভাগ আশাবাদী। পর্যায়ক্রমে অন্য চাষিদের উদ্বুদ্ধ করতে কাজ করা হবে।
বলেন, বীজতলা থেকে ফসল সংগ্রহ পর্যন্ত প্রতি একরে (১০০ শতকে ১ একর) খরচ হবে ২০-২৫ হাজার টাকা। খেতের বর্তমান অবস্থা বিবেচনায় একরপ্রতি ১৬ মণ পর্যন্ত পেরিলা মাড়াই হবে। এ থেকে তেল উৎপাদন হবে প্রায় ১৮২ লিটার।
সুপারফুড হিসেবে পরিচিত পেরিলার তেল হৃদ্যন্ত্র, মস্তিষ্ক ও ত্বকের জন্য বেশ উপকারী জানিয়ে আব্দুল কাইয়ুম মজুমদার বলেন, ‘পেরিলার তেলের গুণগত মান অন্যান্য তেলের তুলনায় ভালো। এ তেল স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। দেশের ৬০টি জায়গায় পেরিলার চাষের পাইলটিং করা হয়েছে। পাঁচ বছর আগে কোরিয়া থেকে পেরিলার বীজ এনেছিলাম। এখন সেখানে নিজেদের বীজে নিজেরাই চাষাবাদ করছি।’
নিউজ লিংক: https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/clpnllirfe